1. admin@gomtirkagoj.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষমতার লোভ আমি করিনা,জণগণের সেবাই আমার মূল লক্ষ্যঃ তালা প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী আবদুল হান্নান সোহেল কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলারসহ এক নেতার মৃত্যু ; মহানগরের সভাপতি ও স্থানীয় এমপির সমবেদনা জ্ঞাপন এবং শোক প্রকাশ জাগ্রত মানবিকতার আয়োজনে রক্তের গ্রুপ নির্নয় ও রক্তদাতা সংগ্রহনে আলোচনা সভা বাকি টাকা চাওয়ায় কুমিল্লা কাপ্তান বাজারের জামিল সমিতির সভাপতি কে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি ও চারবারের এমপি মঞ্জু মুন্সি ছোট ভাই ডাঃ মনিরুজ্জামান এর ইন্তেকাল কুমিল্লা-৭,আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী লুতফুল রেজা খোকন তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যহার করে নিতে আবেদন করেছেন কুমিল্লা-৭,সংসদীয় আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার সর্বস্তরের জনগণ শুভেচ্ছা জানান কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ চান্দিনায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ ৪ জন আটক কুমিল্লা-৭,আসনের নৌকার মাঝি ডা.প্রাণ গোপাল দত্ত

দেবিদ্বার থানার এসআই প্রত্যাহার,মামলা তদন্ত করার সময় ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে

গোমতী কাগজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪৮ বার পঠিত

রবিউল হাসান শান্তঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ধর্ষণচেষ্টা মামলা তদন্তে ঘুষ নেয় এসআই;অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়।এদিকে, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর মায়ের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করা একটি ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে ওমর ফারুককে স্বাভাবিক বদলি দেখিয়ে প্রত্যাহার করে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে নেওয়া হয়েছে।দেবিদ্বার-ব্রাহ্মণপাড়া থানার সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আমির উল্লাহ ও দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ধর্ষণচেষ্টা মামলাটি তুলে না নেওয়ায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরী, ও তার মা-বাবাকে টেনে-হিঁচড়ে ঘর থেকে ধরে এনে সড়কে ফেলে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করে নির্যাতন করে আসামিরা। এ দুইটি ঘটনারই তদন্ত করছিলেন এসআই ওমর ফারুক।ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ফুটেজে ভুক্তভোগী কিশোরীর মাকে ওই পুলিশ সদস্যের কাছে অভিযোগ করতে দেখা যায়। সেখানে তিনি ওই পুলিশ সদস্যকে বলেন, “ধর্ষণচেষ্টাকারীরা মামলা তুলে নিতে বারবার মারধর করছে আমাকে। আমার জীবনের নিরাপত্তা নেই। হয় আসামি ধরেন, না হয় মামলাটি রেফার করেন।কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ওমর ফারুক কোনোটিই করেননি, ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তার কাছে গেলেই তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের টাকা লাগবে।” তদন্তের কাজে ৩ বার আসলে প্রত্যেকবারই চার, তিন এবং আড়াই হাজার টাকা করে ঘুষ গ্রহণ করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা, বলেও জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর